রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের জব্বারের বাড়ির সামনে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
নিহত আক্রাম মিয়া উপজেলার বিষকা ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের ওসমান গণির ছেলে। অন্যদিকে ঘাতক আলামিন নিহত আক্রামের আপন ভাতিজা বলে জানা গেছে।
তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাশিদ ভাতিজার হাতে চাচা খুন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত আক্রাম হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে তার ভাতিজা আলামিনের জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে স্থানীয়ভাবে দুই পক্ষের মাঝে বেশ কয়েকটি সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী মীমাংসা হয়নি। আজ দুপুরে আক্রাম মিয়া ওই বিষয়ে মামলা করার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে রওনা হন। পথিমধ্যে রামপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের জব্বারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে ভাতিজা আলামিন তার লোকজন নিয়ে চাচার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।
এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আলামিন তার চাচা আক্রাম মিয়ার বুকের পাশে ছুরিকাঘাত করে। ছুরিকাঘাতের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই আক্রাম মিয়া মারা যান। পরে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক তারাকান্দা থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রাশিদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।