ময়মনসিংহ ভোর বেলায়, সকালে, দুপুরে, বিকালে, সন্ধা, ও রাতের সময়ে কখনো নিরাপদে নেই সাধারণ জনগণ । জয়নুল আবেদীন পার্ক, কাচিঝুলি, মীর বাড়ি, সানকিপাড়া, কলেজ রোড, টাউন হল, গাঙ্গিনারপাড়, রেলওয়ে স্টেশন, কৃষ্টপুর, মেডিকেল গেইট, ব্রীজ মোড়, রেলীর মোড়, কেওয়াটখালী, চরপাড়া, মাসকান্দা, বাইপাস, মেছুয়া বাজার, হাসপাতাল, শম্ভুগঞ মোড়,শিকারীকান্দা,আকুয়া বাইপাস এবং নিজস্ব বাসাবাড়ী কোথাও নিরাপদে নেই জনগণ সাধারণ । প্রতিদিন হচ্ছে বাসা হতে থেকে চুরির মতো ঘটনা৷ এসব বিষয়ে প্রশাসনের কোন নজর নেই!
ময়মনসিংহের মানুষ নির্ভরশীল হলো জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি পুলিশের উপর। সেই ডিবি ইনচার্জ নেই কতো মাস হলো। ইনচার্জ না থাকায় তারাও জিমিয়ে গিয়েছে। কোতোয়ালী থানার ওসি তার অভিযানে ভাটা পড়েছে। কোতোয়ালী থানার ওসি’র আরো পরিশ্রম করতে হবে। ডায়নামিক অফিসার হতে হবে। কোতোয়ালী থানার পুলিশ এখনো অভিযানে ভাটা পড়েছে।
ফাঁড়ি এলাকার কথা কি বলবো তারা ঘুমিয়ে পড়েছে।
১, ২নং ও ৩নং ফাড়ি এলাকা গুলো ছিনতাইয়েরদ জন্য সব চাইতে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ তাদের অভিযান ভাটা পড়েছে।
ঈদের আগে ছিনতাইকারীদের দ্রুত আটক না করলে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি হতে পারে। পুলিশকে মাঠে কাজ করতে হবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ জেলায় মোট ১১১টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০টি ঘটনা ঘটেছে ছিনতাই’কে কেন্দ্র করে। একই বছরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৬০টি মামলা দায়ের এবং ৪৬৭ জনকে গ্রে’প্তা’র করা হলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বাস্তবে প্রতি মাসে এক হাজারের বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে।
কোতোয়ালি থানায় প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০টি অভিযোগ জমা পড়ে। এসব পরিসংখ্যান স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হতাশ ময়মনসিংহবাসী।