ময়মনসিংহে রাজপথের লড়াই-সংগ্রাম আর বারবার কারানির্যাতনের শিকার হয়েও নিজ আদর্শে অবিচল রয়েছেন মহানগর যুবদলের অন্যতম নেতা মোঃ আলমগীর হোসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার কারাবরণ এবং অসংখ্য রাজনৈতিক মামলার শিকার হওয়া এই নেতার ত্যাগ ও সাহসিকতা এখন স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও যুবদলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে মোঃ আলমগীর হোসেন বারবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রোষানলে পড়েছেন। রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। তবুও দমে যাননি এই লড়াকু নেতা; প্রতিবার জেল থেকে বেরিয়েই আবারও ঝাঁপিয়ে পড়েছেন জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে।
স্থানীয় যুবদল কর্মীদের মতে, ময়মনসিংহ মহানগরের ২৬নং ওয়ার্ডের মধ্য বাড়েরার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন একজন আপসহীন ও ত্যাগী নেতা হিসেবে সুপরিচিত। শত প্রতিকূলতা ও জেল-জুলুম সহ্য করেও তিনি দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিশেষ করে গত সংসদ নির্বাচনে দলকে সুসংগঠিত করতে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
তৃণমূলের অভিযোগ, বারবার কারানির্যাতনের শিকার হওয়া এবং দলের প্রতি চরম অনুগত থাকা সত্ত্বেও ময়মনসিংহের বিএনপির নীতিনির্ধারকগণ এখন পর্যন্ত তাকে কোনো সম্মানজনক পদে আসীন করেননি। তাই আসন্ন দিনে দলের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও বেগবান করতে তাকে ময়মনসিংহ মহানগরীর কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখার দাবি জোরালো হচ্ছে।
কারানির্যাতন ও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, “আদর্শের প্রশ্নে আমি কখনো আপস করিনি এবং করব না। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে রাজপথে ছিলাম, আছি এবং থাকব। বারবার জেল খেটেছি, কিন্তু মনোবল হারাইনি। শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নির্দেশে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে আমি প্রস্তুত।”
ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের এই নেতার সাহসী ও আপসহীন ভূমিকা আগামী দিনে দলের তৃণমূল পর্যায়ে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।