শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
দলিল লেখকদের ৭ দফা দাবিতে মহাপরিদর্শক নিবন্ধনের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান মেধা ও স্বচ্ছতার জয়: তারাকান্দায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির নিয়োগ প্রক্রিয়া সর্বমহলে প্রশংসিত ভাবখালীতে নির্বাচনী হাওয়া: তৃণমূলের জনপ্রিয় মুখ রফিকুল আলম শামীমের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক ফুলপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কালোবাজারির অভিযোগ, বস্তাবন্দী চাল আটক তারাকান্দায় আবাসিক মাদ্রাসায় শিশুশ্রমে বাধ্য করায় দুর্ঘটনায় ছাত্র গুরুতর আহত, থানায় অভিযোগ ময়মনসিংহের পাড়াইলে অপরাধ ঢাকতে সাজানো মামলা: চোরের মায়ের উল্টো থানায় অভিযোগ  অসহায় বিনা আক্তারের পাশে ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন: তাৎক্ষণিক সেলাই মেশিন প্রদান ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অ্যাডভোকেট ইমান আলীর ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ ময়মনসিংহে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হলেন ফাতেমা আক্তার​ ময়মনসিংহে এডভোকেট ঈমান আলী এমপি ছাত্র কল্যাণ ট্রাস্টের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
Wellcome to our website...

তারাকান্দায় প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন নিহত

মফিজ উদ্দিন তালুকদার (তারাকান্দা)।। / ৩৭১ Time View
Update : শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রতিপক্ষের হামলায় জামাল উদ্দিন নামের একজন ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত জামাল উদ্দিন উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের নলচাপড়া গ্রামের মৃত শহর আলীর পুত্র এবং বানিহালা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত বর্তমান  ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।

অত্র উপজেলার  বানিহালা ইউনিয়নের নলচাপড়া দারুস সুন্নাহ আবাসিক কওমি মাদ্রাসা পড়ুয়া ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়েকে খাবার দিয়ে  ফেরার  পথে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন তিনি।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে মাদ্রাসাটির সামনে কুপিয়ে আহত করার পর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন।

এই ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন-নলচাপড়া গ্রামের মৃত ইসমাঈল হোসেনের ছেলে কছিম উদ্দিন ওরফে নওয়াব আলী(৬২) এবং মৃত মিরাশ উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন(৫০)।নিজেদের বাড়িতে অবস্থানের সময় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে নিহত জামাল উদ্দিনের ভাই সুজন মিয়া(৪৫) এবং নিজাম উদ্দিন (৫০) বলেন-আমার ভাই ইউপি সদস্য। মাদ্রাসাটির সামনে সরকারি একটি পুকুরের পাড়ে দোকান স্থাপনকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছিল। যা পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। সরকারের লোকজন এসে দোকান সরিয়ে দেয়। সেই থেকে আমাদের সাথে বিরোধ চলছিল রতন গংদের। এই রতনই তার ভাইদের সাথে নিয়ে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। এ সময় ১০/১৫ জন লোক মিলে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে আমার ভাইকে গুরুতর জখম করে। পরে হাসপাতালে তিনি মারা যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর