মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ার শফিক ও পিডিবি’র  নাইম এর মানবিকতায় গভীর রাতে বিদ্যুৎ ফিরে পেল সাংবাদিক পরিবার ত্রিশ বছরেও হয়নি কালভার্ট ও সড়ক, চরম দুর্ভোগে রৌমারীর দুই গ্রামের হাজারো মানুষ মরহুম তোফাজ্জল হোসেনের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে মোতাহার হোসেন তালুকদার তারাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান  আকাশ গুরুতর আহত ময়মনসিংহ সদরে ৬০টি মসজিদে টিআর প্রকল্পের চেক বিতরণ ময়মনসিংহ সদরে সততার সাথে ব্যবসার পরিধি বাড়াচ্ছেন তরুণ ব্যবসায়ী শাকিল খান মউক চেয়ারম্যান  মোতাহার হোসেন তালুকদারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এডভোকেট নজরুল  জনগণের চেয়ার জনগণের জন্যই, আরাম-বিলাস না, সেবাই মূল লক্ষ্য’— মোতাহার হোসেন তালুকদার ভাবখালী ইউনিয়নকে মডেল হিসেবে গড়তে চেয়ারম্যান পদে সমর্থন চান রাফায়েল কদ্দুস রাসেল
নোটিশ :
Wellcome to our website...

তারাকান্দায় প্রতিপক্ষের হামলায় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন নিহত

মফিজ উদ্দিন তালুকদার (তারাকান্দা)।। / ৩৩৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রতিপক্ষের হামলায় জামাল উদ্দিন নামের একজন ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত জামাল উদ্দিন উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের নলচাপড়া গ্রামের মৃত শহর আলীর পুত্র এবং বানিহালা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত বর্তমান  ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।

অত্র উপজেলার  বানিহালা ইউনিয়নের নলচাপড়া দারুস সুন্নাহ আবাসিক কওমি মাদ্রাসা পড়ুয়া ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়েকে খাবার দিয়ে  ফেরার  পথে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন তিনি।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে মাদ্রাসাটির সামনে কুপিয়ে আহত করার পর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন।

এই ঘটনায় রাতেই অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন-নলচাপড়া গ্রামের মৃত ইসমাঈল হোসেনের ছেলে কছিম উদ্দিন ওরফে নওয়াব আলী(৬২) এবং মৃত মিরাশ উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন(৫০)।নিজেদের বাড়িতে অবস্থানের সময় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে নিহত জামাল উদ্দিনের ভাই সুজন মিয়া(৪৫) এবং নিজাম উদ্দিন (৫০) বলেন-আমার ভাই ইউপি সদস্য। মাদ্রাসাটির সামনে সরকারি একটি পুকুরের পাড়ে দোকান স্থাপনকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছিল। যা পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। সরকারের লোকজন এসে দোকান সরিয়ে দেয়। সেই থেকে আমাদের সাথে বিরোধ চলছিল রতন গংদের। এই রতনই তার ভাইদের সাথে নিয়ে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। এ সময় ১০/১৫ জন লোক মিলে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে আমার ভাইকে গুরুতর জখম করে। পরে হাসপাতালে তিনি মারা যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর