ভূমি রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করার প্রজ্ঞাপন জারিসহ সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি।
গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট, ২০২৬) বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ রশিদ এবং মহাসচিব কে এস হোসেন টমাস-এর নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ সমন্বয়ে মাননীয় মহাপরিদর্শক নিবন্ধন (আইজিআর)-এর মাধ্যমে মাননীয় আইন মন্ত্রী বরাবর এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে তুলে ধরা দলিল লেখকদের মূল ৭টি দাবি হলো:
পেশাগত সুরক্ষা: আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না মর্মে অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন জারি করা।
সম্মানী ভাতা: দলিল প্রতি ন্যূনতম ৫,০০০ টাকা সম্মানী ভাতা নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করা।
আইনগত এখতিয়ার: লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতীত অন্য কেউ দলিল মুসাবিদা ও রেজিস্ট্রি করার জন্য দাখিল করতে পারবে না—এমন প্রজ্ঞাপন জারি করা।
লাইসেন্স প্রদানে কড়াকড়ি: থানা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের নতুন দলিল লেখার লাইসেন্স না দেওয়া।
অবকাঠামো উন্নয়ন: থানা ও জেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি খরচে দলিল লেখকদের জন্য বসার ঘর ও নামাজের স্থান নির্মাণ করা।
আইনি সুরক্ষা: পক্ষগণের সরবরাহকৃত কাগজপত্রের ভিত্তিতে দলিল লেখা হওয়ায়, পেশাগত কারণে কোনো ভুলত্রুটির জন্য লেখক বা মুসাবিদাকারককে আসামি না করা।
কাউন্সিল গঠন: দলিল লেখকদের অধিকার ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ‘দলিল লেখক কাউন্সিল’ গঠনের অনুমতি দেওয়া।
স্মারকলিপি প্রদানকালে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সর্বস্তরের দলিল লেখকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নেত্ববৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নুরুল হক মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক, আবু বক্কর, এস এম আয়নাল হক, ফিরোজ আলম, আমিনুল ইসলাম আখন্দ, রুহুল আমিন খান, আরজু আখন্দ, মামুনুর রশীদ, গোলাম রাব্বানী, হামিদুল ইসলাম ও গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।