ময়মনসিংহে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার আদায়ের রাজপথের আন্দোলনে এক বিশ্বস্ত ও আস্থার নাম মোঃ আলমগীর হোসেন। রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে একাধিক হামলা, মিথ্যা মামলা ও অমানুষিক কারানির্যাতনের মুখোমুখি হয়েও তিনি জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হননি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দায়ের করা একটি রাজনৈতিক মামলায় ময়মনসিংহ জেলার ১ নম্বর আসামি হিসেবে তাকে মাসের পর মাস কারাবরণ করতে হয়। জেল-জুলুম ও ত্যাগের কঠিন অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ এই নেতা রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ মহানগরের ২৬নং ওয়ার্ডের মধ্য বাড়েরা এলাকার এই ত্যাগী সন্তান স্থানীয় শীর্ষনেতা— আবু ওয়াহাব আকন্দ এমপি, জননেতা মোতাহার হোসেন তালুকদার, জোবায়েদ হোসেন শাকিল,মহিবুল হক, টুটুল, মাজেদুল ইসলাম, সাজেদুল ইসলাম, এনামুল হক লিটন আকন্দ, শহিদুল আমিন খসরু, নাইমুল করিম লুইন, তানভীর আহম্মেদ রবিন, রায়হান শরীফ হলুদ, মাহবুবুর রহমান রানা, নজরুল এবং গোবিন্দ রায়ের মতো রাজপথের নেতাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন পরিচালনা করেছেন এবং কারানির্যাতন ভোগ করেছেন। প্রতিবার কারাগার থেকে মুক্ত হয়েই তিনি দ্বিগুণ উদ্দীপনায় দলের কার্যক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রতিটি কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং দলকে সুসংগঠিত রাখতে তার ভূমিকা তৃণমূল রাজনীতিতে প্রশংসিত হয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে ও মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে রাজপথে সক্রিয় থাকা এই লড়াকু নেতাকে আসন্ন ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে দেখতে চান সাধারণ নেতাকর্মীরা।
তৃণমূলের একাংশের মতে, ত্যাগ ও সততার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী আলমগীর হোসেনকে সঠিক মূল্যায়ন করে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে মহানগর যুবদলের গতিশীলতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।