শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
তারাকান্দায় খৈলাপুরী বিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ: খাস জমি দখলের দাবি নাকচ ভূমি অফিসের ময়মনসিংহের ডায়মন্ড মামুনের ফ্রিল্যান্সিং এর আড়ালে পর্ণ সাইটের দালালী!এলাকায় চাঞ্চল্য : ত্রিশালে জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিতকরণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসচিব কেএস হোসেন টমাসের ৫৪তম জন্মদিন আজ দলিল লেখক নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা: কাল সারাদেশে মানববন্ধনের ডাক তারাকান্দা ও হালুয়াঘাটে উন্নয়নের নতুন জোয়ার: একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহ জেলা দলিল লেখক সমিতির কোষাধ্যক্ষ’কে তারাকান্দা দলিল লেখক সমিতির অভিনন্দন টানা দ্বিতীয়বার ময়মনসিংহ জেলা দলিল লেখক সমিতির কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন মফিজ উদ্দিন তালুকদার ময়মনসিংহ সদরে জমি সংক্রান্ত  বিরোধের জেরে কুপিয়ে জখম: ২০ লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ আমরা দালাল নই, উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী’: ময়মনসিংহে ফারিয়ার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
নোটিশ :
Wellcome to our website...

২০০ বারের বেশি সাপের ছোবল খাওয়া ব্যক্তির রক্ত থেকে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিভেনম

Reporter Name / ৪৬৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন

২০০ বারের বেশি সাপের ছোবল খাওয়া ব্যক্তির রক্ত থেকে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিভেনম

ব্ল্যাক মাম্বা নিঃসন্দেহে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ানক সাপ

ছবির উৎস,Getty Images

ছবির ক্যাপশান,ব্ল্যাক মাম্বা নিঃসন্দেহে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ানক সাপ

    • Author,জেমস গ্যালাগার
    • Role,স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান সংবাদদাতা
  • ৩ মে ২০২৫

ইচ্ছাকৃতভাবে ২০০ বারের বেশি সাপের কামড় খেয়েছেন তিনি। গোখরাসহ বিশ্বের ভয়ঙ্কর নানা সাপের বিষ ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে নিয়েছেন ৭০০ বারের বেশি।

তার নাম টিম ফ্রিড। থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। এক সময় ট্রাক সারাই ছিল পেশা। পরে সাপ নিয়ে কাজ করা হয়ে যায় নেশা।

শুরুতে তিনি নিজের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চেয়েছিলেন যাতে সাপ ধরার সময় তিনি নিজেকে রক্ষা করতে পারেন এবং নিজের এই কীর্তিকলাপ তিনি ভিডিও করে ইউটিউবে রেকর্ড করে রাখতেন।

তিনি বিষ সংগ্রহ করেছেন পৃথিবীর সবচেয়ে মারাত্মক কিছু সাপ থেকে, যার মধ্যে রয়েছে একাধিক প্রজাতির মাম্বা, কোবরা, তাইপান ও ক্রেইট।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, টিম ফ্রিডের রক্তে এমন এক ধরনের অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে যা মারাত্মক ধরনের বিষের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে।

টিমের রক্তে পাওয়া অ্যান্টিবডি প্রাণীদের ওপর পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় দেখা গেছে এই অ্যান্টিবডি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীকে সাপের বিষের মারাত্মক ডোজ থেকে রক্ষা করেছে।

সাপের বিষ কাটাতে বর্তমানে যে থেরাপিগুলো প্রচলিত আছে তা নির্দিষ্ট প্রজাতির সাপের বিষ অনুযায়ী কাজ করে, অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে যে সাপ কামড়েছে, সেই প্রজাতির সাপের জন্য তৈরি অ্যান্টিভেনমই দিতে হয়।

মি. ফ্রিডের ১৮ বছরের প্রচেষ্টা সব ধরনের সাপের কামড়ের বিরুদ্ধে একটি সার্বজনীন অ্যান্টিভেনম খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

প্রায় দুই দশক ধরে ইচ্ছাকৃতভাবে শরীরে সাপের বিষ নিচ্ছেন টিম ফ্রিড। তবে এসব শুরুর আগে গোখরার দুটি কামড় খেয়ে কোমায় চলে গিয়েছিলেন তিনি।

“আমি মারা যেতে চাইনি, আমার একটি আঙুলও হারাতে চাইনি। কাজ করতে পারবো না এমন পরিস্থিতির শিকার হতে চাইনি আমি,” বিবিসিকে বলছিলেন মি. টিম।

প্রায় ১৮ বছর ধরে টিম ফ্রিড যে কাজ করছেন, তার ফলে সাপের কামড়ের চিকিৎসায় একটি সার্বজনিন ওষুধ বা অ্যান্টিভেনম তৈরি করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যেখানে সাপের কামড়ে প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় এক লাখ ৪০ হাজারেরও মতো মানুষের মৃত্যু হয় এবং এর তিনগুণেরও বেশি মানুষ অঙ্গ কেটে ফেলা বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের শিকার হয়।

মি. ফ্রিড বলেন, তার লক্ষ্য ছিল বিশ্বের অন্যান্য মানুষের জন্য ভালো থেরাপি তৈরি করা।

  1. “এটা একসময় আমার জীবনযাত্রার অংশ হয়ে যায়। আমি নিজেকে ঠেলে ঠেলে এগিয়ে যেতে থাকি—তাদের জন্য, যারা আমার থেকে আট হাজার মাইল দূরে সাপের কামড়ে মারা যাচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর