বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
তারাকান্দায় চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে পিটিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ দায়ের বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে তারাকান্দায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের জমজমাট প্রীতি ম্যাচ তারাকান্দায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের অভাবনীয় সাফল্য ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলেক চাঁন দেওয়ানের মৃত্যুতে  এমপি লিটন এর  গভীর শোক তারাকান্দায় মামলা করতে যাওয়ার পথে চাচাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন ৯টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানবৃন্দ ই-মিউটেশনে জেলায় শীর্ষে তারাকান্দার এসিল্যান্ড ছালেহীন, হয়রানিমুক্ত সেবায় সন্তুষ্ট তারাকান্দাবাসী ফুলপুরে জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মউক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার আদালতের রায় পেয়েও জমিতে বাঁধা, ৯৯৯-এর হস্তক্ষেপে চাষাবাদ করতে পারল ভুক্তভোগী পরিবার তারাকান্দা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শাহজাহান মেম্বার
নোটিশ :
Wellcome to our website...

ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা মামলায়‘নির্দোষ’মিজানকে আসামি করার অভিযোগ:এলাকায় ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক (ময়মনসিংহ)।। / ২৬৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চুরখাই এলাকায় চাঞ্চল্যকর সোহেল মিয়া (৩১) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পনঘাগড়া এলাকার এক কিশোরকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি,নামের মিল থাকায় প্রকৃত অপরাধীর পরিবর্তে নির্দোষ মিজানকে (পিতা- আইনুল)এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে,যা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
​গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাতে চুরখাই বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোহেল মিয়াকে চাকু দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি নিহতের মা শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪/৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা (মামলা নং-২০) দায়ের করেন। উক্ত মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে রেজাউল করিম লিটন ও রাশিদা বেগমসহ কয়েকজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
​মিজানের পরিবার জানায়,এসময় ঘটনাস্থলে মিজান উপস্থিত ছিলেন না এবং তিনি একজন শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাদের অভিযোগ,চুরখাই বাজারের ভাড়াটিয়া ও মাদক সংশ্লিষ্টতায় অভিযুক্ত জনৈক ‘ড্রাইভার নিজাম ওরফে মিজান’ ওই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকতে পারেন। কিন্তু স্থানীয় একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে পনঘাগড়া এলাকার আইনুলের ছেলে মিজানকে এজাহারের ৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
​মিজানের বাবা আইনুল মিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন:
​”আমার ছেলে খুনের সাথে জড়িত নয়। ঘটনার দিন সে আত্মীয়ের বাড়িতে ছিল। একজন মাদকসেবী ও চালক মিজানের বদলে আমার নির্দোষ ছেলেকে আসামি করে আমাদের সাজানো জীবন তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা সোহেল হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই, কিন্তু নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়।”
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহেল ও ঘটনার মূল অভিযুক্তদের মধ্যে মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
​মিজানের পরিবার ও এলাকাবাসী ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন,যেন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করা হয়। তারা বিশ্বাস করেন, সঠিক ও স্বচ্ছ তদন্ত হলে মিজানের নির্দোষ হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হবে এবং তাকে এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর