বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
তারাকান্দায় শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড,২ নারীর কারাদণ্ড পড়াশোনার বদলে কাঁধে সংসারের জোয়াল:রিকশার প্যাডেলে ত্রিশালের আসাদুলের জীবনযুদ্ধ আর্তমানবতার সেবায় নিবেদিত এক প্রাণ:পনঘাগড়ার কৃতি সন্তান মোশারফ হোসেন বাপ্পী চূড়খাইয়ে সানরাইজ আইডিয়াল স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা মামলায়‘নির্দোষ’মিজানকে আসামি করার অভিযোগ:এলাকায় ক্ষোভ ময়মনসিংহে বিশেষ সেবার বার্তা নিয়ে নববর্ষ বরণ করছে ডাচ-বাংলা ব্যাংক স্টেশন রোড শাখা সুতিয়া নদীর দুই পাড় যখন এক বিন্দুতে: চুরখাইয়ে দুই বন্ধুর বৈশাখী কোলাকুলি তারাকান্দায় যুবদল নেতা সাইফুলের ত্রাসের রাজত্ব: অতিষ্ঠ এলাকাবাসী,নেপথ্যে কোন শক্তি? খিটুয়ারী মাঠখলা বাজার ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন কাজ চলমান:দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা তারাকান্দায় নবনির্মিত মাঝিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন হস্তান্তর
নোটিশ :
Wellcome to our website...

তারাকান্দায় শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড,২ নারীর কারাদণ্ড

মফিজ উদ্দিন তালুকদার (ময়মনসিংহ)।। / ৪৮ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজ শিক্ষার্থী শাহীনুর আলম ওরফে ইকবালকে হত্যার দায়ে ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দুই নারী আসামিকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন জনাকীর্ণ আদালতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

​মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— মো. ইউনুছ আলী (৬২), মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন (৫১), শামছুল হক (৪৪), আসিফ রানা নাঈম (২৪), মো. আব্দুল হেলিম (৫১) এবং মো. ফরিদ আহম্মেদ (১৯)। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

​অন্যদিকে, অপরাধে সহায়তার দায়ে মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

​মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, নিহত ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ২০২১ সালের ৩১ মে রাতে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন তার বাবা আব্দুর রউফ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

​নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্থানীয় পলাশকান্দা গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে ইকবালের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ইকবালের ভাই সেলিম মিয়া বাদী হয়ে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

​দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

​রায়ের পর নিহতের ভাই ও মামলার বাদী সেলিম মিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। এখন আমাদের দাবি, এই রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।”

​অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান জানান, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর