বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
সাবেক সফল জিএস ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব সারোয়ার জাহান শাহীনের প্রয়াণ: এক বর্ণাঢ্য ও নীতিবান জীবনের অবসান বানিহালা ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে আবেগঘন খোলা চিঠি দিলেন বিএনপি নেতা ছায়াদুল ইসলাম মন্ডল বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির জরুরি সভায় পেশা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান তারাকান্দায় চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে পিটিয়ে জখম: থানায় অভিযোগ দায়ের বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে তারাকান্দায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের জমজমাট প্রীতি ম্যাচ তারাকান্দায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের অভাবনীয় সাফল্য ত্রিশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলেক চাঁন দেওয়ানের মৃত্যুতে  এমপি লিটন এর  গভীর শোক তারাকান্দায় মামলা করতে যাওয়ার পথে চাচাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা শহীদ জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন ৯টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানবৃন্দ ই-মিউটেশনে জেলায় শীর্ষে তারাকান্দার এসিল্যান্ড ছালেহীন, হয়রানিমুক্ত সেবায় সন্তুষ্ট তারাকান্দাবাসী
নোটিশ :
Wellcome to our website...

তারাকান্দায় শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড,২ নারীর কারাদণ্ড

মফিজ উদ্দিন তালুকদার (ময়মনসিংহ)।। / ১৮৯ Time View
Update : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজ শিক্ষার্থী শাহীনুর আলম ওরফে ইকবালকে হত্যার দায়ে ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে দুই নারী আসামিকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন জনাকীর্ণ আদালতে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

​মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— মো. ইউনুছ আলী (৬২), মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন (৫১), শামছুল হক (৪৪), আসিফ রানা নাঈম (২৪), মো. আব্দুল হেলিম (৫১) এবং মো. ফরিদ আহম্মেদ (১৯)। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

​অন্যদিকে, অপরাধে সহায়তার দায়ে মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

​মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, নিহত ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ২০২১ সালের ৩১ মে রাতে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন তার বাবা আব্দুর রউফ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

​নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্থানীয় পলাশকান্দা গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে ইকবালের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ইকবালের ভাই সেলিম মিয়া বাদী হয়ে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হত্যার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

​দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, “এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

​রায়ের পর নিহতের ভাই ও মামলার বাদী সেলিম মিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। এখন আমাদের দাবি, এই রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।”

​অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ এইচ এম খালেকুজ্জামান জানান, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর