ময়মনসিংহ সদরের রঘুরামপুর চিকামারী এলাকায় নিরীহ এক পরিবারের বাড়িঘর ভাংচুর সহ লুটপাট এর অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগী মোছাঃ শিল্পী আক্তার জানান, প্রতিপক্ষ
জনাব আলী (৬৫), পিতা-বাবর আলী, মিশন (৩০), পিতা- মৃত আবুল হাসেম, সামছুদ্দিন (৩৭), পিতা-মইজদ্দিন, আজিজুল (৪০), পিতা- গুঞ্জর আলী, সর্বসাং-রঘুরামপুর চিকামারী, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহসহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জনের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা নিয়া বিরোধ চলে আসছিলো। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ইং ১০/০৯/২০২৫ তারিখ দুপুর অনুমান ১৩:৩০ টার সময় অত্র থানাধীন রাঘবপুর সাকিস্থ আমার নিজ বসত বাড়ীতে বিবাদীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বেআইনী জনতাবন্ধে তাদের হাতে থাকা দা, লোহার রড, বাঁশের লাঠিসোটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সন্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার উপর হামলা করে। বিবাদী ০১। জনাব আলী (৬৫), পিতা- বাবর আলী, তার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়া শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাথারীভাবে বাইরাইয়া নিলাফোলা জখম করে। ০২ নং বিবাদী মিশন (৩০), পিতা- মৃত আবুল হাসেম, আমার চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে লোহার রড দিয়ে ডান পায়ে আঘাতসহ স্লীলতাহানী করে। পরবর্তীতে সকল বিবাদীরা আমার ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর সহ ০৪ নং বিবাদী আজিজুল (৪০) আমার গলায় পরিহিত আটানি ওজনের একটি স্বর্ণে চেইন নিয়ে যায়। ০৩ নং বিবাদী সামছুদ্দিন (৩৭), আমার বাড়ী হতে একটি লাল রংয়ের চার মাসের গাভী গরু নিয়ে যায়। ০২ নং বিবাদী মিশন (৩০), ঘরের ভতরে থাকা সুকেস হতে জমি বন্দকের টাকা নিয়ে চলে যায়। তখন আমাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে উল্লেখিত সকল বিবাদীরা সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা ঘটনাস্থল হতে চলে যাওয়ার সময় আমাদেরকে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শণ করতঃ হুমকী দিয়া বলে যে উল্লেখিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন মামলা মোকদ্দমা করিলে আমাদের কে সময় সুযোগমত পাইলে প্রানে মারিয়া লাশ গুম করে ফেলবে। অতঃপর স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় আমাদেরকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা প্রদান করে। উল্লেখিত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতঃ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।